গাজা উপত্যকায় আবারও ছড়িয়ে পড়েছে রক্তের গন্ধ।
জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, যুদ্ধবিরতি, এবং ট্রাম্পের উপস্থিতিতে মিশরে স্বাক্ষরিত গাজা শান্তি চুক্তি—সব কিছুর পরও ফের শুরু হলো গোলাগুলি, ধ্বংস আর মৃত্যু।
রোববার ও সোমবারের জিম্মি বিনিময়ে যখন ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনে উৎসবের আমেজ, তখন মঙ্গলবার সকালে ভেঙে যায় সেই আশার মায়াজাল।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়—গাজা সিটির শুজাইয়া পাড়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দাবি করেছে—নিহতরা নাকি তাদের সেনাদের দিকে “অগ্রসর হচ্ছিল”।
তাদের ভাষায়,
“প্রথমে ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত ‘হলুদ সীমা’ অতিক্রম করে—ফলে গুলি চালানো ছাড়া উপায় ছিল না।”
তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন—নিহতরা ছিলেন স্থানীয় বেসামরিক মানুষ, যাদের কেউ গাজায় স্বজনদের খোঁজে, কেউবা ত্রাণের আশায় রাস্তায় বের হয়েছিলেন।
শান্তিচুক্তির পর যুদ্ধবিরতির অন্যতম লক্ষ্য ছিল—‘অস্ত্রবিরতি ও মানবিক সহায়তা’।
কিন্তু নতুন এই হামলা প্রশ্ন তুলছে—এই যুদ্ধবিরতি কি সত্যিই টিকবে?
গাজার আকাশে আবারও ধোঁয়া, সাইরেন, আর আতঙ্কের সুর।
যে ভূমিতে গত সপ্তাহেও শান্তির প্রতিশ্রুতি ছিল, আজ সেখানে আবার ধ্বনিত হচ্ছে বন্দুকের গর্জন।
বিশ্ব বিশ্লেষকেরা বলছেন—এই হামলা যুদ্ধবিরতির ভঙ্গুর বাস্তবতাকেই সামনে আনছে।
ফিলিস্তিনি পরিবারের আর্তনাদ, শিশুদের কান্না—সবকিছুর মাঝেই প্রশ্নটা এখন কেবল একটাই:
“গাজায় শান্তি ফিরবে কবে?”
Leave a comment