ভারতের উত্তরপ্রদেশে ‘I Love Muhammad’ প্রচারণাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখন চরমে। বাড়েইলি নগরীতে সংঘর্ষ ও বিক্ষোভের পর কমপক্ষে ৮১ জনকে আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে।
Dawn-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে পুলিশ আচরণ কঠোর হয়েছে; তারা বলেছে, এই পদক্ষেপ “শান্তি বজায় রাখার” জন্য জরুরি।
এই বিতর্ক শুরু হয়, যখন ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ, মাওলিদ প্রসেসিয়নের রুটে “I Love Muhammad” লেখা পোস্টার লাগানোর অভিযোগ ওঠে।
হিন্দু গোষ্ঠী ও স্থানীয় বিরোধীরা বলেছিলেন—ইহা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উত্তেজনার সৃজন।
এরপর বিক্ষোভ আহ্বান দেওয়া হয়। গত ২৬শে সেপ্টেম্বরে ব্যাপক জনসমাগম গঠে।
পর দিন ২৭ শে সেপ্টেম্বর ধর্মগুরু তারকীর রেজা খান এবং অন্যদের গ্রেফতার করা হয়।
বিক্ষোভ ও সহিংসতার দৃষ্টান্তে, ৮১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ধর্মগুরু তাওকীর রেজা খান উল্লেখযোগ্য নাম।
ঘটনার উত্তাপে বিচারিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে, ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে গৃহহীন এলাকায়, শুক্রবার নামাজের দিন বিশেষ সতর্কতা ঘোষণা করা হয়েছে।
এখানে প্রশ্ন জাগে—যখন কারো পক্ষে “I Love Muhammad” বলাকে অপরাধে পরিণত করা হয়, তখন ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের মর্যাদা কোথায় যায়?
অনেকেই বলছেন—এই সংগৃহীত গ্রেফতার মানবাধিকারের অপমান।
ধর্মীয় অনুভূতিকে প্ররোচিত করা হচ্ছে বলে অনেক প্রতিবাদী বলছেন—“প্রথমে পোস্টার, পরে লাঠি-চালান।”
সসংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা বলছেন— ভারতে বার বার মুসলমানদের টার্গেট করে বিভিন্ন নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।
প্রশাসন বলেছে—“বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ জরুরি।” তবে শিক্ষিত সমাজ বলছে—এভাবে কানে কাঠি দিয়ে একপক্ষকে দমন করা কি যুক্তিসমত?
Leave a comment