গাজায় চলমান অভিযানে ইসরায়েলকে “অবিলম্বে” বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ট্রাম্প সরাসরি তেলআবিবকে বার্তা পাঠিয়ে বলেছেন—“শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে, তাই আর কোনো হামলা নয়, যুদ্ধ এখনই থামাতে হবে।”
হামাসও ট্রাম্পের প্রস্তাবের কিছু অংশে সায় দিয়েছে। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে বন্দি বিনিময় ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা এগোচ্ছে। ফলে একদিকে যুদ্ধ থামার সম্ভাবনা দেখা দিলেও, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক অস্থিরতা জন্ম নিচ্ছে।
এপি এবং রয়টার্সের বিশ্লেষণ বলছে—ট্রাম্পের প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, বন্দি-বিনিময়, গাজায় অন্তর্বর্তী প্রশাসনের রূপরেখা।
তবে হামাস নিরস্ত্রীকরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এখনো সম্মত হয়নি। ইসরায়েলও বলেছে, “আমরা আমাদের নিরাপত্তার শর্ত কোনোভাবেই ছাড়ব না।”
এদিকে ইরানের আইআরজিসি-র সারাল্লাহ সদর দপ্তরের উপপ্রধান মেজর জেনারেল হোসেন নেজাত আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ঘোষণা দিয়েছেন—
“ইরান-ইসরায়েল ১২ দিনের যুদ্ধে আমরা আগের তুলনায় এখন ১০ গুণ শক্তিশালী। একই ভুল যদি আবারও হয়, বহুগুণ শক্তি দিয়ে জবাব দেওয়া হবে।”
তার এই বক্তব্য শুধু ইসরায়েল নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যকেই কাঁপিয়ে দিয়েছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়—বরং আঞ্চলিক প্রতিরোধ জোটকে সক্রিয় করার এক প্রকার সিগন্যাল।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে—যুদ্ধবিরতির আলাপ-আলোচনা চললেও গাজার অবস্থা এখনও মরনাপন্ন। হাজারো পরিবার পানি, খাদ্য ও ওষুধের অভাবে চরম কষ্টে রয়েছে। হাসপাতালগুলো ভেঙে পড়েছে, শিশুদের জন্য কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই।
Leave a comment