খাগড়াছড়ি-রাঙামাটিতে ও চট্টগ্রাম নিয়ে ভারতের নীলনকশা। চট্টগ্রাম হবে আমাদের অংঘরাজ্য” বলেছে ভারতীয় এক নেতা। নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৩
রাতের অন্ধকারে শুরু হওয়া একটি কিশোরীর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদ এখন পুরো পাহাড়জুড়ে ভয়াবহ অগ্নিসংঘাতে রূপ নেয়। টায়ার জ্বালা, ব্যারিকেড, সড়ক-দখল আর নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে অন্তত ৩ জন নিহত। বহু গ্রামের সাধারণ পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই । স্থানীয়রা বলছেন রাতের অন্ধকারে সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা কিছু নিরীহ বাড়ি টার্গেট করে আগুন ছুঁড়েছে – গরু-ছাগল পোড়ানো, নারী-শিশুরা এখন ঘর বাড়িহীন। বিশেষ করে রামেসু বাজার এলাকায় ভয়াবহ ধ্বংস জগ্যচলেছে; রামেসু বাজারের অনেক দোকান-ঘর পুড়ে ছারখার।
স্থানীয়রা বলে, যারা সরাসরি আন্দোলনে নেই—তাদের বাড়ি ও মাছি-খামার লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা আগুন ছুঁড়ছে; স্থানীয়রা বলছে এটি পরিকল্পিত উসকানি।
সোশ্যাল-মিডিয়ায় শোনাযাচ্ছে “ভারতীয় কিছু মহল পার্বত্যাঞ্চল বিভক্ত করার নীলনকশা হাতে নিয়ে কাজ করছে” এমন পোস্ট, ছবি ও মানচিত্র ভাইরাল। কিছু অনানুষ্ঠানিক ভিডিও পোষ্টে বলা হচ্ছে, ত্রিপুরার রাজপরিবারের নেতা প্রদ্যোত মানিক্য দেব বর্মা বলেছেন – “চট্টগ্রাম আমাদের অংশরাজ্য হবে” – আর সেই কটূক্তি ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা আরও বাড়ে।”
একই সাথে সূত্রগুলো আরও স্পষ্টভাবে বলছে – সীমান্ত চ্যানেলে অস্ত্র-সহায়তা চলমান। কেউ বলছে “অ্যাডভান্সড মেশিনগান, অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও প্রশিক্ষিত কিছু বাহিনী সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে” —এখানে বিদেশি ষড়যন্ত্রের পূর্বাভাস স্পষ্টভাবে পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বিজিবি-সেনা সতর্ক, কিন্তু লোকজন বলছে, এভাবে চলতে থাকলে চট্টগ্রাল হারিয়ে ফেলার মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।”
জেলা প্রশাসন ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ধারা-১৪৪ জারি করেছে; বিজিবি ও সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং সিসিটিভি/ফুটেজ যাচাই করে সন্দেহভাজন চিহ্নিতকরণ চলছে। সাজেক-রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক বিচ্ছিন্ন; সাজেকে আটকে থাকা পর্যটকদেরও নিরাপদে আনা হয়েছে।
Leave a comment