কক্সবাজারের কলাতলী থেকে লাবণী পর্যন্ত সৈকতে পর্যটকবাহী এলাকার মধ্যে ঘোড়া, বেওয়ারিশ কুকুর ও গরুর বিচরণ দেখা যায়। ৫০টির বেশি ঘোড়া পর্যটকদের বালুচরে ঘোরানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। খাবারের অনুপস্থিতি, লোনা সমুদ্রের পানি খাওয়া ও দীর্ঘ সময় কাজ করার কারণে ঘোড়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। ঘোড়ার মলমূত্র সৈকতে পড়ে এবং সমুদ্রের পানিতে মিশে শিশু-কিশোরদের জন্য সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ায়।
বেওয়ারিশ কুকুরও পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। কামড় বা আঁচড়ে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থাকে। এছাড়া কুকুরের মল বালুকে মিশে চর্মরোগ ও পরজীবী সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে।
সৈকতে গরুর বিচরণও চোখে পড়ে। যদিও গরুর মলমূত্র পরিবেশ দূষণ করে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি মানুষের জন্য সরাসরি মারাত্মক ঝুঁকি কম। তবে লোনা বাতাস ও লোনাপানি দীর্ঘ মেয়াদে ঘোড়া ও গরুর ত্বক ও স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।
পরিবেশ ও প্রাণী বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সৈকতে পশুর সাথে মানুষের সহাবস্থান জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। পর্যটকবাহী এলাকায় পশুদের নিয়ন্ত্রণ, সঠিক খাবার ও স্বাস্থ্যপরিচর্যা নিশ্চিত করা জরুরি।
Leave a comment